পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আমায় সকল আশা দিয়া ময়না

   আমায় সকল আশা দিয়া ময়না  হটাৎ চইলা গেল  খাচার পাখি উড়াল দিলে  বাসবো কারে ভালো  আমায় সকল আশা দিয়া ময়না  হটাৎ চইলা গেল  খাচার পাখি উড়াল দিলে  বাসবো কারে ভালো  .................................. মাঝে মাঝে সপনেতে  তোরে যখন দেখি ভালোবাসার পাখিটারে তবুও কেন খুজি মাঝে মাঝে সপনেতে  তোরে যখন দেখি ভালোবাসার পাখিটারে তবুও কেন খুজি আমায় সকল আশা দিয়া ময়না  হটাৎ চইলা গেল  খাচার পাখি উড়াল দিলে  বাসবো কারে ভালো আমায় সকল আশা দিয়া ময়না  হটাৎ চইলা গেল  খাচার পাখি উড়াল দিলে  বাসবো কারে ভালো অনেক বিসাস কইরা ময়নার দিলাম খাচা খুলি মায়াতে কাফন পরাইয়া  ফিরে না তুই এলি অনেক বিসাস কইরা ময়নার দিলাম খাচা খুলি মায়াতে কাফন পরাইয়া  ফিরে না তুই এলি আমায় সকল আশা দিয়া ময়না  হটাৎ চইলা গেল  খাচার পাখি উড়াল দিলে  বাসবো কারে ভালো আমায় সকল আশা দিয়া ময়না  হটাৎ চইলা গেল  খাচার পাখি উড়াল দিলে  বাসবো কারে ভালো।।

একা ছিলাম ছিলাম ভালো ছিল নাতো জ্বালা,

  একা ছিলাম ছিলাম ভালো ছিল নাতো জ্বালা, তোমার সনে প্রেম করিয়া অন্তর হইল কালা। একা ছিলাম ছিলাম ভালো ছিল নাতো জ্বালা, তোমার সনে প্রেম করিয়া অন্তর হইল কালা। ও তুমি কার দেখা পাইয়া, গেলা আমায় ভুলিয়া তুমি কার দেখা পাইয়া, গেলা আমায় ভুলিয়া, বুঝিনা কেন নিষ্ঠুর হলে ভাসাইয়া আমায় চোখের জলে, বন্ধুরে ভাসাইয়া আমায় চোখের জলে। পিরিতি শিখাইয়া ভাবে তে মজাইয়া পিরিতি শিখাইয়া ভাবে তে মজাইয়া আজও এলে না ফিরে, ভাসাইয়া আমায় চোখের জলে, বন্ধুরে ভাসাইয়া আমায় চোখের জলে। ওরে নদীর ধারে গিয়ে তুমি শপথ করেছিলে, ভুলিবেনা মোরে কভু এই জীবনও গেলে। নদীর ধারে গিয়ে তুমি শপথ করেছিলে, ওরে ভুলিবেনা মোরে কভু এ জীবনও গেল। ও আমি কোনখানে যাবো, গেলে তোমারে পাবো আমি কোনখানে যাবো, গেলে তোমারে পাবো, বুঝিনা কেন নিষ্ঠুর হলে, ভাসাইয়া আমায় চোখের জলে, বন্ধুরে ভাসাইয়া আমায় চোখের জলে। একা ছিলাম ছিলাম ভালো ছিল নাতো জ্বালা তোমার সনে প্রেম করিয়া অন্তর হইল কালা, ও তুমি কার দেখা পাইয়া, গেলা আমায় ভুলিয়া তুমি কার দেখা পাইয়া, গেলা আমায় ভুলিয়া, বুঝিনা কেন নিষ্ঠুর হলে ভাসাইয়া আমায় চোখের জলে, বন্ধুরে ভাসাইয়া আমায় চোখের জলে। ভাসাইয়া আমায় চোখের জলে, বন্...
  * ভালোবাসার মানুষ আমি হারিয়ে ফেলেছি, আজ আমি বড় একা হয়ে গেছি... আজ আমি একা হয়ে গেছি... যৌবনে যারে আমি করেছিলাম সাথী, দুইজনে গড়েছিলাম কত মধুর সৃতি, সে আর আমি একইসাথে কত রাত কাটিয়েছি, আজ আমি একা হয়ে গেছি... হটাৎ করে চলে গেছে সে যে অনেক দূরে, যেখান থেকে কেউ কোনদিন আসেনা ফিরে, আমার দেখার কেউ রইলনা আমি কেমন আছি, আজ আমি একা হয়ে গেছি... বাকি জিবন একা একা কাটাবো কি করে, জীবন সাথী আর আসবেনা আমারও বাসরে, তোমারি স্মরণে আক্কাস এই গান লিখেছি, আজ আমি একা হয়ে গেছি...
  আপন মানুষ পর হইয়া যায় থাকলে স্বার্থের পিছু টান ,, তুই বড় বেইমানরে বন্ধু তুই বড় বেইমান ।। মন কাড়িলি প্রথম আমার কইয়া মিষ্টি কথা , কারে পাইয়া কি বুঝিয়া প্রাণে দিলি ব্যাথা ।। তোর মনে কি নাই মমতা ?? কি করে হইলি পাষাণ ।। ঘর ছাড়া বাহিরে নিলি ,কইরা পাগলবেশি ,, আমার বুকটা ভাইঙ্গা দিয়া কারে করলি খুশিরে ।। বিনা দোষে করলি দোষি ,, পাইনা খুঁজে সমাধান ।। মন ভাঙ্গা যার হয়রে বন্ধু শুধুই শখের খেলা ,, সে কি কবু বুঝতে পারে কার মনে কি জ্বালা ।। নুরালাম হয় পুইড়া কয়লা, বুকের জমিন হয় শ্বশান ।।
  আমার হৃদয় পুড়ে বৎস হলো দেহ পুড়ে কালা, প্রেমের টানে তুমার প্রেমের টানে না মজিলে…. সেটাই হইতো ভালা, বুজতে আমার হইল দেরি, পিরিত ভিষন জালা, পিরিত ভিসন জালা। কাচা হৃদয় সরল সরল মনটা ছিল নরম, না বুঝে প্রেমের ই বাউ দুক্ষ পাইলাম চরম। কুলমান হারা তুমি ছাড়া সুখের ঘরে তালা। আমি কুলমান হারা তোমি ছাড়া সুখের ঘরে তালা। বুঝতে আমার হইলো দেরি পিরিত ভিশন জালা, শেষ হইল চোখের পানি বাচা টানাটানি, রইলো না আর কোন আশা মরন এর দিন গুনি। তুমার ঘাতক প্রেমে মুর কলিজা হইল ফালাফাল! বুজতে আমার হইলো দেরি পিরিত ভিশন জালা। আমার হৃদয় পুড়ে বৎস হলো দেহ পুড়ে কালা, প্রেমের টানে তুমার প্রেমের টানে না মজিলে…. সেটাই হইতো ভালা, বুজতে আমার হইল দেরি, পিরিত ভিষন জালা, পিরিত ভিসন জালা। বুঝতে আমার হইলো দেরি পিরিত ভিষন জা
  আমার সাথে প্রেম করিয়া করলে বন্ধু ছলনা, তোমার ভালোবাসা পাইলেরে আমার জীবন নষ্ট হইতো না। ভালো যদি বাসতে আমায়, হৃদয়ে তে রাখতাম তোমায়, কোন দিন ও কষ্ট দিতাম না।। তোমার ভালোবাসা পাইলেরে বন্ধু আমার জীবন নষ্ট হইতো না। আমার বুকে কষ্ট দিয়া সুখে আছ কারে লইয়া, সুখ কপালে তোমার সইবে না।। তোমার ভালোবাসা,,,,, কেন করলে তুমি করলে এমন নষ্ট করলা আমার জীবন, কোন দিনও ক্ষমা করবো না।। তোমার ভালোবাসা,,,,, বিরহী আবদুল বলে, চিতার আগুন বুকে জেলে, দুই চোঁখে তে শুধু আর কান্না।। তোমার ভালোবাসা,,,,,,
  সুখ পাখিটা গেছে মারা একটা তিরের আঘাত পাইয়া গো,,আমি আজো কান্দি পাখিটার লাগিয়া,,, ।। কলঙ্কিনি হইলাম আমার বন্ধুয়ার লাগিয়া,, সে যে আমায় ছেড়ে গেছে গেছে জনমের লাগিয়া গো।। আমি আজো কান্দি পাখিটার লাগিয়া,,, পরদেশিয়া বন্ধু হইলে জানতাম চিঠি দিয়া, আরে আমার এত দিনের ভালোবাসা কেমনে যায় ভূলিয়া গো।। আমি আজো কান্দি পাখিটার লাগিয়া,,, দুইদিনের পিরিতি নয়গো তারে রাখতাম চাপা দিয়া, এতদিনের ভালোবাসা কেমনে যায় ভূলিয়া গো,, আমি আজো কান্দি পাখিটার লাগিয়া,,,।। ওরে মাতাল কাজল কান্দে এত গান আমি গাইলাম যার লাগিয়া, দরদি,,,,, আরে ও আমার বান্ধব রে,,, মাতাল রাজ্জাক হইতে বিদায় নিলাম যার গান তারে দিয়া রে,,,,,।। আমি আজো কান্দি পাখিটার লাগিয়া,,,
  আমি মরলে যেন পাই তোমারে গো, পুর্নজনম লইয়া।।আমি মরলে এই করিও, আমার মরা না পোড়াইয়ো না গারিও না দিও ভাসাইয়া, ও সই গো, গারিও না দিও ভাসাইয়া,সোনা বন্ধু বন্ধু বন্ধু বলে,,, কান্দিস আমার কর্ণ মূলে, তমাল ডালে রাখিও বান্ধিয়া, মরা, তমাল ডালে রাখিও বান্ধিয়া,,,,,পুর্নজনম লইয়া।। প্রান বন্ধুয়া দেশে এলে, সখি তোমরা সবাই মিলে, যাইয়ো তারে তমাল তলে লইয়া, ও সই গো,,, যাইয়ো তারে তমাল তলে লইয়া,।। তোরা বলিস বন্ধুর প্রেমে পুড়ে, ,,, প্রাণ পাখি গিয়াছে উড়ে গো,,,, এখন শূণ্য খাঁচা রইয়াছে পড়িয়া রে,,, শূণ্য খাঁচা রইয়াছে পড়িয়া,,,, পুর্নজনম লইয়া।। চন্ডি দাসের মরন হইলো, রজকিনি বাচাইলো, শাস্রে কয় প্রেমের দোহাই দিয়া, ওই সইরে,শাস্রে কয় প্রেমের দোহাই দিয়া,,,,দেওয়ান খালেক মরা ওই পিরিতে,,,, যদি বন্ধুর লাগে চিত্তে গো, নেয় যেন আবার জনম দিয়া গো, নেয় যেন আবার জনম দিয়া গো।।। পুর্নজনম লইয়া।।
  মন ভালা না রে তোর পিরিত ভালা না রে বন্ধু তোর প্রেমে পাগল হইয়া হইলাম কুল হারা মন ভালা না রে তোর পিরিত ভালা না রে বন্ধু আগে কতো কইতি কথা দেখাইতি স্বপন আগে কতো কইতি কথা দেখাইতি স্বপন ভাবিতাম তুই যে আমার সব থেকে আপন আগে কতো কইতি কথা দেখাইতি স্বপন ভাবিতাম তুই যে আমার সব থেকে আপন এখন ছাইরা গেলি আমারে বুকে আগুন জ্বালাই রে এখন ছাইরা গেলি আমারে বুকে আগুন জ্বালাই রে একটু কি হয়না রে তোর দয়া ও তোর মন ভালা না রে তোর পিরিত ভালা না এগো মন ভালা না রে তোর পিরিত ভালা না রে বন্ধু স্বপনে আসিস এখন সুখের ভেলায় ভাসি স্বপনে আসিস এখন সুখের ভেলায় ভাসি চোখ মেলিয়া পরে সারা দিবাও কাঁদি স্বপনে আসিস এখন সুখের ভেলায় ভাসি চোখ মেলিয়া পরে সারা দিবাও কাঁদি আজও বুকের মাঝে স্বপন বাঁধি দিবা রাতি তোরে ডাকি বুকের মাঝে স্বপ্ন বাঁধি দিবা রাতি তোরে ডাকি চাতকীর মতো থাকি চাইয়া ও তোর মন ভালা না রে তোর পিরিত ভালা না এগো মন ভালা না রে তোর পিরিত ভালা না রে বন্ধু
  বন্ধুরে তোর পিরিতে লাশ হয়ে ভাসিলাম নদীতে।(২) আমি মানকুলামন সব হারালা ও আমি মানকুলামন সব হারালাম তবু আইলা না মোর বাড়িতে। নিত্য হইতো দেখারে বন্ধু ওইনা নদীর ঘাটে, অবলারে প্রেম শিখাইয়া লইরা দূরে সরে।(২) তুমি এই ঘাটে আর নাও ফিরাওনা, ও তুমি এই ঘাটে আর নাও ফিরাওনা ও তুমি নাও ফিরাও কোন ঘাটেতে? লাশ হইয়া ভাসিলাম নদীতে। নদী এখন জলে ভরা নানান নৌকা ভাসে, সোনা বন্ধু নাইরে তুমি আষাঢ শ্রাবন মাসে(২) আমার দুই চোখেতে বৃষ্টি ঝরে(২) ও বন্ধু পাড় ভাঙে এ বুকেতে রংবে রং এর পাল উঠাইয়া কতো নৌকা আসে যায়, সোনা বন্ধু বুঝলা না রে মনে কিসের দুঃখ বয়!! ও তুমি আইসো আমার বাড়িতে।
  যদি আমি আর না থাকি নাম ধরে না ডাকি, করবি কি তুই তখন? তবু ভালোবেসে যাবো বুকেতে আগলে রবো আসেও যদি মরণ। আর কাউকে পাবিনা এমন ভালোবাসবে আমার মতন। তোর ভাবনায় অসীম মায়ায় ডুবে থাকি সারাক্ষন, তোর মতো আর কেউ নেই আমার এতো বেশি আপন। তবু ভালোবেসে যাবো বুকেতে আগলে রবো আসেও যদি মরণ। আর কাউকে পাবিনা এমন ভালোবাসবে আমার মতন। আছি মিশে, ভালোবেসে তুই তো আমারই সব, হৃদয় গভীরে তুই আমার সুখেরি অনুভব। তবু ভালোবেসে যাবো বুকেতে আগলে রবো আসেও যদি মরণ। আর কাউকে পাবিনা এমন ভালোবাসবে আমার মতন..
  শ্যামকালিয়া সোনা বন্ধুরে, ও বন্ধু নিরলে তোমারে পাইলাম না।। আমার মনে যত দুঃখ ছিলরে, বন্ধু খুলিয়া কইলাম না। ফুলের আসন ফুলের বসনরে, আরে ও বন্ধু, ফুলেরই বিছানা।। (ও তোমার) হৃদকমলে চুয়াচন্দন রে বন্ধু ছিটাইয়া দিলাম না নিরলে তোমারে পাইলাম না। ক্ষীর ক্ষীরিয়া মাখন ছানারে, আরে ও বন্ধু, রসের ও কমলা।। (ওই আমার) দুই হস্তে চান্দ মুখ রে বন্ধু তুলিয়া দিলাম না নিরলে তোমারে পাইলাম না। ভাইবে রাধারমণ বলেরে, আরে ও বন্ধু মনে যেই বাসনা।। (ওরে) তোমারও পিরীতে আমায় রে বন্ধু নিরাশা কইরো না নিরলে তোমারে পাইলাম না।
  আগের বাহাদুরি এখন গেল কই চলিতে চরণ চলেনা দিনে দিনে অবশ হই আগের বাহাদুরি এখন গেল কই ।। মাথায় চুল পাকিতেছে মুখের দাঁত নড়ে গেছে চোখের জ্যোতি কমেছে মনে ভাবি চশমা লই।। মন চলেনা রঙ তামাশায় আলস্য এসেছে দেহায় কথা বলতে ভুল পড়ে যায় মধ্যে মধ্যে আটক হই আগের বাহাদুরি এখন গেল কই ।। কমিতেছি তিলে তিলে ছেলেরা মুরুব্বী বলে ভবের জনম গেল বিফলে এখন সেই ভাবনায় রই আগের মত খাওয়া যায়না বেশি খাইলে হজম হয়না আগের মত কথা কয়না নাচেনা রঙের বারুই আগের বাহাদুরি এখন গেল কই ।। ছেলেবেলা ভাল ছিলাম বড় হয়ে দায় ঠেকিলাম সময়ের মূল্য না দিলাম তাইতো জবাবদিহি হই যা হবার তা হয়ে গেছে আব্দুল করিম ভাবিতেছে এমন একদিন সামনে আছে একেবারে দরবেশ হই।। ——————– শাহ আব্দুল করিম

আমার বন্ধু দয়াময়

  আমার বন্ধু দয়াময় তোমারে দেখিবার মনে লয়। তোমারে না দেখলে রাধার জীবন কেমনে রয় বন্ধুরে।। কদম ডালে বইসারে বন্ধু ভাঙ্গ কদম্বের আগা। শিশুকালে প্রেম শিখাইয়া যৌবনকালে দাগা রে।। তমাল ডালে বইসারে বন্ধু বাজাও রঙের বাশি। সুর শুনিয়া রাধার মন হইলো যে উদাসি রে।। ভাইবে রাধা রমণ বলে মনেতে ভাবিয়া। নিভা ছিল মনের আগুন কে দিল জ্বালাইয়া রে।।
  বন্ধুরে কই পাবো সখি গো সখি আমারে বলো না আমার বন্ধু বিনে পাগল মনে বুঝাইলে বুঝেনা সাধে সাধে ঠেকছি ফাঁদে গো সখি দিলাম ষোল আনা আমার প্রাণ-পাখি উড়ে যেতে চায় আর ধৈর্য মানে না আমার বন্ধু বিনে পাগল মনে বুঝাইলে বুঝেনা কী আগুন জ্বালাইলো বন্ধে গো সখি নিভাইলে নিভে না জল ঢালিলে দ্বিগুণ জ্বলে উপায় কি বলো না আমার বন্ধু বিনে পাগল মনে বুঝাইলে বুঝেনা বাউল আব্দুল করিম বলে সখি অন্তরের বেদনা সোনার বরণ রূপের কিরণ না দেখলে বাঁচিনা আমার বন্ধু বিনে পাগল মনে বুঝাইলে বুঝেনা ————- শাহ আব্দুল করিম